বছরের প্রথম নিলামে রেকর্ড পরিমাণ দাম পেল জাপানের জনপ্রিয় ফল চেরি। এক বাক্স প্রিমিয়াম চেরি সাতো নিশিকির জন্য ১৮ লাখ ইয়েন বা প্রায় ১১ হাজার ৫০০ ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দিয়েছেন ক্রেতা। টোকিওর একটি বাজারে গত সোমবার ওই নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রতিটি ফলের দাম পড়েছে ২৬ হাজার ইয়েন বা ১৬৬ ডলারের সমতুল্য। খবর জাপান টুডে।
জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ইয়ামাগাতা প্রিফেকচার চেরি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। এখানকার খেতেই ফলে প্রিমিয়ার চেরি সাতো নিশিকি। ইয়ামাগাতার প্রধান চেরি উৎপাদন এলাকা হিসেবে পরিচিত টেনদো। এ শহরেও চেরি নিলামে নতুন রেকর্ড হয়েছে। সেখানে এক নিলামে ৬৮টি চেরির একটি বাক্স ১৫ লাখ ৫০ হাজার ইয়েন বা ৯ হাজার ৯০০ ডলারের সমপরিমাণ অর্থে বিক্রি হয়েছে।
সাধারণত গ্রীষ্ম মৌসুমে (জুন-জুলাই) পরিপক্ব অবস্থায় পৌঁছায় চেরি। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোয় অল্ট্রা-ফোর্সড চাষ পদ্ধতি ব্যবহার করে ফসলের সময় এগিয়ে এনেছেন জাপানি কৃষকরা। এ কৃষি পদ্ধতিতে প্রথমে চেরি গাছকে শীতল পরিবেশে রাখা হয়। এরপর হালকা ও নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রার গ্রিনহাউজে নিয়ে আসা হয়। এ পদ্ধতির কারণে চেরি ফুল সাধারণ সময়ের আগে ফোটে এবং ফল ধরে। আগাম বাজারে আসার কারণে বিক্রেতারা বেশি দামও হেঁকে থাকেন।
টেনদোর নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা ছিল জেএ টেনদো ফুডস। প্রতিষ্ঠানটির উপবিক্রয় ব্যবস্থাপক কেনিচি মানেন বলেছেন, ‘আমি শুনেছি অস্থিতিশীল আবহাওয়ার কারণে এ বছর ফসল ফলানো অনেক কঠিন হয়েছে। তবে গ্রাহকরা খুশি হয় এমন পণ্য সরবরাহে আমরা বরাবরই সচেষ্ট থাকি।’
নিলামে রেকর্ড দামে কেনা চেরিগুলো অনলাইনে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে জেএ টেনদো ফুডসের এ কর্মকর্তা।